🩸 ফটিকছড়িতে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের জন্য নিয়মিত রক্তের প্রয়োজন। আজই রক্তদাতা হিসেবে নিজেকে যুক্ত করুন!
ব্লাড ফটিকছড়ি blood.fatikchhari.com
হোম রক্ত খুঁজুন সংগঠন
ফটিকছড়ির নিজস্ব ব্লাড নেটওয়ার্ক

আপনার এক ব্যাগ রক্ত,
বাঁচাতে পারে ফটিকছড়ির একটি প্রাণ!

ফটিকছড়ির মানুষের জন্য তৈরি এই প্রথম সেন্ট্রাল ডিজিটাল রক্তের পোর্টাল। জরুরি প্রয়োজনে রক্ত দেওয়ার হাহাকার দূর করতে এবং আমাদের তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনগুলোকে এক সুতোয় বাঁধতেই এই উদ্যোগ। আসুন, আমরা সবাই মিলে ভালোবাসার এক সেতুবন্ধন গড়ি।

رক্তদাতা খুঁজুন
০+ নিবন্ধিত রক্তদাতা
১৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা
১০০% ফ্রি ও মানবিক উদ্যোগ
একত্রে কাজ করছি আমরা

ফটিকছড়ির স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসমূহ

আমাদের এই পোর্টালটি ফটিকছড়ির সকল রক্তদাতা ক্লাব ও সামাজিক সংগঠনের সমন্বয়ে তৈরি। যারা নিঃস্বার্থভাবে রক্তের সন্ধান করে দেয়, তাদের আমরা এক প্ল্যাটফর্মে এনেছি।

ফটিকছড়ি ব্লাড ডোনার্স ক্লাব

স্থাপন: ২০১৯ | সক্রিয় ভলান্টিয়ার: ৬০+

প্রগতি ব্লাড ডোনার্স

স্থাপন: २०२२ | সক্রিয় ভলান্টিয়ার: ৪০+

সিটিজি ব্লাড ব্যাংক

স্থাপন: ২০১৭ | সক্রিয় ভলান্টিয়ার: ১০০+

কওমী ব্লাড ডোনার্স

মানবিক ভলান্টিয়ার নেটওয়ার্ক

টিম ব্লাড ওয়ারিয়র্স

সক্রিয় তরুণ ভলান্টিয়ারส์

আপনার সংগঠন?

আপনার ক্লাবটিকে যুক্ত করতে আমাদের সাথে আজই যোগাযোগ করুন।

যোগাযোগ করুন

আমাদের ফটিকছড়ির থ্যালাসেমিয়া যুদ্ধাংশ...

ফটিকছড়িতে অসংখ্য শিশু রয়েছে যারা জন্মগত থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। তাদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন প্রতি মাসে নিয়ম করে অন্তত এক থেকে দুই ব্যাগ তাজা রক্ত নেওয়া। আপনি একটু রক্ত দিয়ে এই নিষ্পাপ শিশুগুলোর মুখে একটু হাসি ফোটাতেই পারেন। আপনার রক্তদান মানে তাদের আরও একটি মাস বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা।

থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য রক্তদানের ক্ষেত্রে কোনো চার্জ বা অর্থ নেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং অপরাধ। যেকোনো প্রয়োজনে রক্তদাতাদের সাথে মানবিক আচরণ করুন।

১২০ দিন

রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল

একজন সুস্থ মানুষের শরীরের লোহিত রক্তকণিকা ১২০ দিন পর এমনিতেই ভেঙে যায়। তাই রক্ত দিলে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না, বরং নতুন রক্ত তৈরি ত্বরান্বিত হয়।

৩ মাস পর পর

রক্তদানের সময়কাল

১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী যেকোনো সুস্থ পুরুষ প্রতি ৩ মাস পর পর এবং নারীরা প্রতি ৪ মাস পর পর নিরাপদে রক্ত দিতে পারেন।

উপকারিতা

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

নিয়মিত রক্তদান করলে শরীরে অতিরিক্ত আয়রন জমে না, ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক কমে যায় এবং শরীর সতেজ থাকে।

জরুরি প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ান

আজই আপনার রক্তদাতাদের সংগঠনে নিজেকে যুক্ত করুন অথবা রক্তদাতার তালিকায় নাম লেখান।

সাফল্য!

কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।